ঈদ মুবারক

সেই ডাক্তার আবার জেলে

,

বরগুনা সংবাদদাতা, ১১ মে।। মিথ্যা সনদ প্রদানের অভিযোগে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ফারুক আলমকে  বরগুনা কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বেতাগীর জ্যেষ্ঠ বিচারক এইচ এম কবির হোসেন তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপরদিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধেও মিথ্যা সনদ প্রদানের অভিযোগ করা হয়েছে।
বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের আবদুর রব ফরাজীর সাথে প্রতিবেশীদের জমি নিয়ে বিরোধে ২০০৮ সালে সংঘর্ষ হয়। প্রতিপক্ষরা বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ফারুক আলমের কাছ থেকে সনদপত্র এনে আবদুর রব ফরাজীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২০০৮ সালের ২০ ডিসেম্বর আবদুর রব ফরাজী মিথ্যা সনদ প্রদানের অভিযোগ এনে চিকিসৎক ফারুক আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় মঙ্গলবার ফারুক আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বরিশালে আদালত ফারুক আলমকে এরআগেও বহুবার একই কারনে সাজা দিয়েছে।
অপরদিকে বরগুনা সদর উপজেলার দক্ষিন ফুল ঢলুয়া গ্রামের মোকলেসুর রহমান অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে খলিলুর রহমান ও জাহাঙ্গীর হোসেনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধ মিমাংসার জন্য ৬ এপ্রিল সকালে তিনি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ওয়াজেদ আলী গ্রামবাসীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। বৈঠক চলাকালে খলিলুর রহমান লাঠি দিয়ে জাহাঙ্গীর হোসেনকে আঘাত করে। লাঠির আঘাত ফসকে গিয়ে মনিরুল ইসলাম পাবলুর মাথায় লাগে। তিনি অভিযোগ করেন, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আবদুল মান্নান লাঠির আঘাতের পরিবর্তে ধারাল অস্ত্রের আঘাত উল্লেখ করে সনদ প্রদান করেছেন। যে সনদ দিয়ে তাদের নামে বরগুনা থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তারাও চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানান।

পাঠকের মন্তব্য


মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।

পাতার শুরুতে