নয়নাভিরাম বঙ্গবন্ধু উদ্যান

,

স্টাফ রিপোর্টার।। নগরীর বান্দ রোডে বঙ্গবন্ধু উদ্যান সংলগ্ন মজা ড্রেনটিকে নয়নাভিরাম লেকে পরিনত করা হয়েছে। সেই সাথে লেক সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু উদ্যানটিকে আরও দৃস্টিনন্দন করা হয়েছে। চারদিকে আকাশ ছোঁয়া নানান রঙের ফুল, ঘাট বাধাঁনো লেক, সবুজে ঢাকা মাঠের পাশে ওয়াকওয়ে আর নির্মল বাতাসের জন্য লোকজন ছুঁটে যাচ্ছে সেখানে। ওই উদ্যানে সাধারনত: আয়োজন হয় জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান । অনুষ্ঠিত হয় বড় বড় মেলা, বড় জনসভা । স্বাস’্য সচেতন লোকজন উদ্যানটিকে ঘিরে গড়ে তুলেছেন প্রাত:ভ্রমন এবং বৈকালিন ভ্র্রমন সংঘ।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শওকত হোসেন হিরন উদ্যানটিকে আধুনিকায়নের এ উদ্যোগ নেন। বরিশাল গণপূর্ত বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
প্রকল্পটিতে উদ্যানের চারিদিকে ডাবল ওয়াকওয়ে, লেকের প্রটেকশন ওয়াল,ফেন্সি গ্রীল করার কথা ছিল। তখন প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা ।
নির্বাহী প্রকৌশলী আরেফুর রহমান জানান, প্রকল্পটি আর আগের মতো নেই। কাটছাট করা হয়েছে। এখন লেকের সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য আকর্ষনীয় ২টি গেট নির্মান , দু’দিকে ওয়াকওয়ে এবং লাইটিং করা হয়েছে। আর নতুন লেকটির মাঝে নির্মান করা হয়েছে বঙ্গবন্ধর ম্যুরাল । এরফলে উদ্যান এলাকাটি নজর কাড়ছে সবার। লোকজন এর নাম দিয়েছে বঙ্গবন্ধু লেক। প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এজন্য।
এ উদ্যানটির আগে নাম ছিল বেলস পার্ক। নিকোলাস বিটসন বেল ১৮৯৬ থেকে ১৮৯৯ সাল পর্যন্ত বাকেরগঞ্জের (বরিশাল) জেলা মেজিস্ট্রেট ছিলেন। ওই সময় তিনি পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেন। তার নামে পরিচিত হয় পার্ক।
স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বরিশাল সফরে আসেন ১৯৭৩ সালের ৩ জানুয়ারি ( বাংলা ১৩৭৯ সালের ১৮ পৌষ)। তখন তার প্রতি সম্মান আর ভালোবাসায় উৎসর্গকৃত এ উদ্যানের নাম করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু উদ্যান। বঙ্গবন্ধুর নামে উম্মোচন করা ওই ফলক বরিশালে তার উপস্থিতির সাক্ষ্য দিচ্ছে এখন।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উর রহমান জানিয়েছেন, ২১ মার্চ বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু উদ্যান সংলগ্ন লেকে বঙ্গবন্ধরু ম্যুরাল উদ্বোধন করবেন।
সৌর্ন্দয প্রিয় বরিশালবাসী আছেন সেই দিনের অপেক্ষায় ।

পাঠকের মন্তব্য


মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।

পাতার শুরুতে