বরিশালে যুবদলে নতুন বিরোধ, হাসপাতালে ৪ জন
১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯, Saturday, May 26, 2012 || স্টাফ রিপোর্টার ||স্টাফ রিপোর্টার।। বরিশালে শনিবার যুবদল ২ গ্রুপের মধ্যে মারামারির সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ছাত্রদল নেতাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর জখম ৪ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, ছাত্রদল ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি বিএইচ রিমন, সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের ছাত্রদল কর্মী রাশেদ, মহানগর যুবদল কর্মী সোহাগ ও অভি । অন্যরা পালিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানায় দলীয় কর্মীরা। পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে আটক করেছে।
বিএনপি নেতা,কর্মী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় গাড়ীতে আগুন দেওয়া মামলায় নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং মুক্তির দাবীতে যুবদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচী বরিশালে পৃথকভাবে পালন শেষে সবাই ফিরে যায় । এর কিছুক্ষন পর বেলা ১২ টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাছে যুবদল কেন্দ্রীয় সদস্য মোমেন সিকদার এর গাড়ীর পথরোধ করে বিএনপি মহানগর সভাপতি গ্রুপের যুবদল নেতা কামরুল হাসান রতন এর লোকজন। এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন মোমেন সিকদার। এ সময় রতনের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে কর্মীরা ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলায় লিপ্ত হয়। বিএইচ রিমনের মাথায়, গলায়, ঘাড়ে, হাতে ও পায়ে কোপানো হয়। তার অবস্থা আশংকাজনক। রিমনের মোটরসাইকেলও ভাংচুর হয়েছে। রাশেদের হাতের আঙ্গুল কেটে রাস্তায় পরে গেছে। সরোয়ার পন্থি অভি ও সোহাগও পাল্টা হামলার শিকার হয়।
মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার এমপি এবং জেলা সভাপতি আহসান হাবিব কামালের বিরোধের জের ধরে দলে গ্রুপিং এর সংখ্যা বাড়ছে।আজকের হামলা তারই ধারাবাহিকতা বলে জানায় কর্মীরা। তারা আরও জানায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা মোমেন সিকদার জেলা সভাপতি কামালের গ্রুপ ছেড়ে একলা চলো নীতি নেয়ায় সরোয়ার পন্থি রতনের সাথে নতুন বিরোধ শুরু হয়েছে ।







May 27th, 2012 at 4:05 am
Ei hanahanir shes kothai ?