বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

,

বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল এর উদ্বোধন করছেন মেয়র শওকত হোসেন হিরন। বঙ্গবন্ধু উদ্যান। বরিশাল নগরীর বান্দ রোডের এ এলাকাটি এখন দর্শনীয় স্থানে পরিনত হয়েছে। বাংলাদেশের স্থপতি ও প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের ৩ জানুয়ারি ( বাংলা ১৩৭৯ সালের ১৮ পৌষ) বরিশাল সফরে এসেছিলেন। তখন তার প্রতি সম্মান আর ভালোবাসায় উৎসর্গকৃত এ উদ্যানের নাম করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু উদ্যান। বঙ্গবন্ধর উম্মোচন করা সেই ফলকটি এখনও আছে উদ্যানে প্রবেশের প্রধান গেটে । সেই উদ্যানটিকে নয়নাভিরাম করা হয়েছে এ বছর।
উদ্যানের বান্দ রোড সংলগ্ন মজা ড্রেনটিকে লেকে রুপ দেওয়া হয়েছে। আর তার মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। এরফলে বঙ্গবন্ধু উদ্যানটি আরও দৃস্টিনন্দন হয়েছে। উদ্যান এলাকাটি নজর কাড়ছে সবার। লোকজন এর নাম দিয়েছে বঙ্গবন্ধু লেক।
চারদিকে আকাশ ছোঁয়া নানান রঙের ফুলের গাছ, ঘাট বাধাঁনো লেক, সবুজে ঢাকা মাঠের পাশে ওয়াকওয়ে লোকজনকে যেন চুম্বকের মতো টেনে নিচ্ছে সেখানে। বিশাল ওই উদ্যানে আয়োজন হয় জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান । অনুষ্ঠিত হয় বড় বড় মেলা, বড় জনসভা । স্বাস্থ্য সচেতন লোকজন উদ্যানটিকে ঘিরে গড়ে তুলেছে প্রাত:ভ্রমন এবং বৈকালিন ভ্র্রমন সংঘ। সেখানে কীর্তনখোলা নদী থেকে আসা নির্মল বাতাসে প্রতিমূহুর্তে স্নাত হচ্ছে সব বয়সের মানুষ।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শওকত হোসেন হিরন উদ্যানটিকে আধুনিকায়নের এ উদ্যোগ নেন। গনপূর্ত বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। উদ্যানের চারিদিকে ডাবল ওয়াকওয়ে, লেকের প্রটেকশন ওয়াল,ফেন্সি গ্রীল করা হয়েছে। প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এজন্য।
এ উদ্যানটির প্রতিষ্ঠাতা নিকোলাস বিটসন বেল ১৮৯৬ থেকে ১৮৯৯ সাল পর্যন্ত বাকেরগঞ্জের (বরিশাল) জেলা মেজিস্ট্রেট ছিলেন। ওই সময় তিনি পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেন। তার নামে পরিচিত হয় পার্ক। পার্ক বলতে এর চারিদিকে লাগানো ছিল গাছ। আর পশ্চিম প্রান্তে একটি লেক যা ডিসি’র লেক নামে পরিচিত। ধীরে ধীরে উদ্যানের নানান রকম উন্নয়ন হতে থাকে।
২০১২ সালের ১০ জুলাই বরিশালবাসীর জন্য ওই ম্যুরাল এলাকা উম্মুক্ত করে দেয়া হয়।



পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।


Get Facebook Like
পাতার শুরুতে