নুহাশপল্লীতে নেওয়া হচ্ছে হুমায়ূনের মরদেহ
৯ শ্রাবণ ১৪১৯, Tuesday, July 24, 2012 || বরিশাল নিউজ ডেস্ক ||
নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মরদেহ দাফনের উদ্দেশে বারডেম থেকে গাজীপুরের নুহাশপল্লীর উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে তাকে বহনকারী জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স বারডেম থেকে বের হয়ে যায়। এসময় পুলিশের ৩টি গাড়ি ছাড়া আর তেমন কাউকে দেখা যায়নি।
বারডেমের হিমঘর থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন শাওনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোতাহার হোসেন।
এদিকে, হুমায়ূনের ছেলে নুহাশ আহমেদ, মেয়ে শীলা ও নোভা নুহাশপল্লীতে যাচ্ছে বলে হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই ড. জাফর ইকবাল জানিয়েছেন।
সোমবার গভীর রাতে পারিবারিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নুহাশপল্লীতে দাফন হবে হুমায়ূন আহমেদের। এদিন দিবাগত রাত দুই টা ১০ মিনিটে একথা সাংবাদিকদের জানান ড. জাফর ইকবাল।
জাফর ইকবাল গভীর রাতে সাংবাদিকদের বলেন, হুমায়ূন আহমেদের সন্তানরা চাচ্ছিলো তাদের বাবার দাফন মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে হোক। কারণ সেখানে সবাই সহজে যেতে পারবে। কিন্তু হুমায়ূনের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওনকে রাজি করানো যায়নি। আবার সন্তানরা চাচ্ছে না, তাদের বাবার লাশ বারডেমের হিমঘরে পড়ে থাকুক। এ কারণেই তারা নুহাশ পল্লীতে দাফনের বিষয়টি মেনে নিয়েছেন তারা।
হুমায়ূন আহমেদের ৩ সন্তান নোভা, শিলা ও নুহাশের সঙ্গে সোয়া এক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করে এ কথা জানান জাফর ইকবাল। বৈঠক হয় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের বাসভবনে।
এর আগে নানক বৈঠক করেন হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে। হুমায়ূনের ধানমন্ডির বাসভবন দখিন হাওয়ায় ওই বৈঠক চলে প্রায় আড়াই ঘণ্টা।
জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দাফন নিয়ে পরিবারের সদস্যরা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারায় সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী নানককে তার প্রতিনিধি করে এর সমঝোতার জন্য পাঠান।
সৌজন্যে০০ বাংলা নিউজ ২৪ ডট কম




মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।