কোকো-৪ উদ্ধার হচ্ছে

,

২০০৯ সালের ২৯ নভেম্বর তেতুলিয়া নদীতে ডুবে যাওয়া এমভি কোকো-৪ ।তেঁতুলিয়া নদীতে ডুবে যাওয়ার আড়াই বছর পর এমভি কোকো-৪ লঞ্চটির এক তৃতীয়াংশ উপরে তোলা সম্ভব হয়েছে। আগামী ৪/৫ দিনের মধ্যে লঞ্চটি পুরোপুরি টেনে উপরে তোলা সম্ভব হবে বলে উদ্ধারকর্মীরা জানান। গত ১৯ জুলাই থেকে লঞ্চটি উদ্ধার কাজ চলছে।
২০০৯
সালের ২৯ নভেম্বর দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তম লঞ্চটি উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। এরপর বিপজ্জনক স্থানে থাকা লঞ্চটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেয় মালিকপক্ষ মেসার্স রহমান শিপার্স। উদ্ধার কাজ করতে ৩টি শক্তিশালী কার্গো জাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে।
গত ২ মাস ধরে সর্বাত্মক চেষ্টার পর এখন লঞ্চটির অর্ধেক অংশ টেনে তোলা সম্ভব হয়েছে।
লঞ্চ উদ্ধারকর্মী মাঈনুল জানান, লঞ্চটি মাটির নিচে ৯ ফুট ও পানির ২১ ফুট নিচে ছিল। স্পেশাল ডুবুরিদল লঞ্চটি সনাক্ত করে। এরপরই বিশেষ ব্যবস্থার মাধমে লঞ্চটি টেনে তোলার কাজ শুরু হয়। এখন ৪/৫ দিনের মধ্যে পুরোপুরিভাবে লঞ্চটি পানিতে ভাসানো সম্ভব হবে।
এদিকে, কোকো-৪ লঞ্চ উদ্ধার কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা মেসার্স রহমান শিপার্সের সুপারভাইজার ওমর আলী কিবরিয়া জানান, গত আড়াই বছরে পানিতে ডুবে থাকা লঞ্চের মূল্যবান সব যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে গেছে। তবুও মালিকপক্ষ চাইছে তাই উদ্ধার করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এ লঞ্চটি এখন চলাচলের উপযোগী নয়, তবে এর মালপত্র দিয়ে নতুন জাহাজ তৈরি করা যাবে।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৯ নভেম্বর ঢাকা থেকে লালমোহনগামী এমভি কোকো-৪ নাজিরপুর ঘাটের কাছাকাছি এসে অর্ধ নিমজ্জিত হয়। এতে মারা যান ৮৩ যাত্রী। দুর্ঘটনার পর ৫ দিন ধরে লঞ্চটি উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও রুস্তম এটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে।
এ ঘটনায় লালমোহন থানায় লঞ্চের পরিদর্শক, চালক, মাস্টার ও সুকানীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ২টি মামলা দায়ের করা হয়।



পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।


Get Facebook Like
পাতার শুরুতে