কীর্তনখোলার ভাঙ্গনে ব্যাপক এলাকা বিলীন
১৮ ভাদ্র ১৪১৯, Sunday, September 2, 2012 || স্টাফ রিপোর্টার ||
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর ভাঙ্গনে নগরীর অপর প্রান্ত চরকাউয়া এলাকার ২০ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ ব্যাপক এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফেরীঘাট সরিয়ে নেয়ার কারনে বন্ধ হয়ে গেছে বরিশাল-ভোলা রুট। ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পেতে ঘরবাড়ীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া বাজার এলাকায় শনিবার দুপুর থেকে এ ভাঙ্গন শুরু হয় । রাতে এর তীব্রতা বাড়ে। রাতেই অন্য স্থানে সরিয়ে নেয়া হয় বরিশাল-ভোলা রুটের ফেরীঘাট । এরফলে যাত্রীবাহী বাসসহ তেলবাহী লরী, পন্যবাহী গাড়ীর দীর্ঘ লাইন পরে যায় সেখানে।
ভাঙ্গন এলাকার মধ্যে প্রায় দেড়শ ঘরবাড়ী ও দোকানপাট রয়েছে।
নদীতে বিলীন হওয়ার আশংকায় রোববার সকাল থেকে সেগুলো ভেঙ্গে সরিয়ে নিচ্ছেন তার মালিকরা।
নদীর ব্যাপক ভাঙ্গনের পরও সড়ক বিভাগ কিংবা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন কর্মকর্তা সেখানে যাননি এমন অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর দাবি চরকাউয়া প্রান্তে মাত্র ৮ কিলোমিটার এলাকায় বাধ দিলে তাদের শত শত কোটি টাকার সম্পত্তি রক্ষা পেত।
চরকাউয়া আহমেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি মো. কেরামত আলী হাওলাদার জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস, সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ পদক্ষেপ নেয়ার কারনে মসজিদ এলাকা থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার এলাকা ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তিনি দ্রুত চরকাউয়া এলাকার ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।
দুপুরে সদর আসনের এমপি মজিবর রহমান সরোয়ার এবং বরিশাল চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।




মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।