৬ নম্বর সিগন্যাল এবং কুয়াশা ভেদ করে চলবে কীর্তনখোলা-২

,

 বরিশালের ডকইয়ার্ডে নির্মিত ৩০০ ফিট দৈর্ঘ্য এবং ৫৬ ফিট প্রস্থের লঞ্চ কীর্তনখোলা-২ প্রায় ১৯ মাস ধরে কাজ শেষে পানিতে ভাসানো হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী লঞ্চ কীর্তনখোলা-২।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালমা শিপিং কর্পোরেশনের প্রোপাইটার মনজুরুল আহসান ফেরদৌস বলেন, এখন খুটিনাটি পরীক্ষা চলছে। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে বরিশাল- ঢাকা রুটে নিয়মিত সার্ভিস দিবে লঞ্চটি ।
দেশের অন্যান্য যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোর চেয়ে কীর্ত্তনখোলা -২ লঞ্চটি ভিন্ন ধরনের জানিয়ে ফেরদৌস বলেন, এ লঞ্চটি ৬ নম্বর সিগন্যালেও অনায়াসে চলাচল করতে পারবে। লঞ্চটির নিচের অংশ বিদেশী জাহাজের আদলে তৈরী করা হয়েছে। দুই স্তরবিশিষ্ঠ লঞ্চটির একটি তলা ফেটে পানি প্রবেশ করলেও অপরটি লঞ্চটিকে ভাসিয়ে রাখবে বলেন তিনি। এছাড়াও পানির নিচে দূর্ঘটনার আলামত সনাক্ত করার জন্য ইকোসাউন্ডার, পানির নাব্যতা মাপার আধুনিক যন্ত্র, কুয়াশা ভেদ করার ফকার লাইট স্থাপন করা হয়েছে যোগ করেন ফেরদৌস।
বাথরুম সংযুক্ত ৮৫ টি ডাবল কেবিন, ৫৬টি সিঙ্গেল কেবিনসহ ডেকে যেতে পারবে আড়াই হাজার যাত্রী।
এ সব যাত্রীদের জন্য রয়েছে এটিএম বুথসহ ব্যাংকিং ব্যবস্থা,স্যাটেলাইট চ্যানেল ও টেলিফোনের সুবিধা। ভাড়াও সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম হবে এমন আশ্বাস দেন লঞ্চ মালিক।
নির্মানে ব্যয় হয়েছে ২০ কোটি টাকা। ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড বরিশাল শাখা এর অর্থায়ন করে।
লঞ্চটি নদীতে ভাসানোর সময় বিভিন্ন লঞ্চের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।



পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।


Get Facebook Like
পাতার শুরুতে