সিডর -আইলার মতো দূর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয়দের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়-ডেনমার্ক প্রতিনিধি দল

,

ডেনমার্ক সংসদের ক্লাইমেট, এ্যানার্জি এন্ড বিল্ডিং কমিটির ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার পটুয়াখালীর কলাপাড়া ঝুঁকি হ্রাস প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। ডেনমার্ক সংসদের ক্লাইমেট, এ্যানার্জি এন্ড বিল্ডিং কমিটির ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বুধবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউণিয়নে জলবায়ূ পরিবর্তন জনিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রন্তিক জনগোষ্ঠী উদ্ভাবিত ঝুঁকি হ্রাস প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। দলের চেয়ারম্যান সংসদ সদস্য স্টীন গেড এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংসদ সদস্য টমাস দানিয়েলসন, ইয়েনস ইয়োল, লিস রাসমুযেন, ডেনমার্ক জ্বালানী সংস্থার উপ-মহাপরিচালক ক্রিষ্টিয়ান মোলার, জলবায়ূ জ্বালানী ও স্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় প্রধান মার্টিন হ্যানসেন, প্রতিনিধি ইয়োন জেনসেন।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা লালুয়া ইউনিয়নের পশরিবুনিয়া ও চারিপাড়া গ্রামে দুর্যোগ সহনীয় গুচ্ছগ্রাম, সম্পদ ও জীবন রক্ষাকারী বাংকার এবং আশ্রায়ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে দুযোর্গ মোকাবেলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ করনীয় সম্পর্কে মতবিনিময় করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার, পুলিশ সুপার আজাদ মিয়া, পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সফি উদ্দিন, লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে ডেনিস পার্লামেন্টের ক্লাইমেট, এনার্জি এন্ড বিল্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য স্টীন গেড কলাপাড়া পানিউন্নয়ন বোর্ডের পরিদর্শন বাংলোতে এসে সাংবাদিকদের কাছে পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন,’স্থানীয় জনগোষ্ঠী কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দূর্যোগ মোকাবেলা করছে, তাঁরা দূর্যোগকালীন সময় নিজেদের কীভাবে রক্ষা করবে তা নিয়ে আমরা কথা বলেছি। তাঁদের দূর্যোগকালিন প্রস্তুতি ও পরবর্তী কৌশল আমরা সচক্ষে দেখে আনন্দিত। তবে তিনি মনে করেন এ এলাকায় অগামী দিনগুলিতে সিডর কিংবা আইলার ন্যায় সম্ভব্য বড় ধরনের দূর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয়দের এসব উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। টেকসই বেরী বাঁধ নির্মানসহ এক্ষেত্রে সরকারী পদক্ষেপের পাশাপাশি স্থানীয় সরকরের দক্ষতা বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

সিডর পরবর্তী ২০০৮ সালে থেকে এলাকার ১০০ জন নারী এ্যাকশন এইড’র সহায়তায় জলবায়ূ পরিবর্তন জনিত পরিস্থিতি মোকাবেলা, দুর্যোগ প্রস্তুতি ও পরবর্তী সময় বেঁচে থাকার জন্য কৃষি, শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে স্থানীয় বিভিন্ন উদ্ভাবনীমূলক কৌশল বাস্তাবায়ন করেন।



পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।


Get Facebook Like
পাতার শুরুতে