বরিশাল জেলা বিএনপির প্রতিনিধি সমাবেশে হাতাহাতি-মারামারি (ভিডিও)
৩১ ভাদ্র ১৪১৯, Saturday, September 15, 2012 || স্টাফ রিপোর্টার ||
বরিশালে ১৮ দলের প্রতিনিধি সভায় কেন্দ্রীয় নেতার সামনেই বিএনপি ও ছাত্রদলের কর্মীরা হাতাহাতি ও মারামারিতে লিপ্ত হন। তার সামনে ২টি সভায়ই এ ঘটনা ঘটে। প্রথম ঘটনাটি ঘটে সকালে অশ্বিনী কুমার হলে গৌরনদী বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে। দ্বিতীয়টি বিকেলে সরোয়ার-কামাল সমর্থক ছাত্রদলের মধ্যে।
সকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলে প্রতিনিধি সমাবেশে উত্তর জেলা বিএনপির আওতাধীন ৫ উপজেলা গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, হিজলা, মুলাদি ও মেহেন্দিগঞ্জের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশের শুরু থেকেই উপজেলা পর্যায়ের নেতারা বক্তৃতায় প্রতিপক্ষ গ্রুপের স্থানীয় নেতাদের সংস্কারপন্থী বলে ঘায়েল করার চেষ্টা কললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে।
এক পর্যায়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌরনদীর ইঞ্জিনিয়ার সোবাহানকে তার এলাকার আকন কুদ্দুসুর রহমান ও লোকমান হোসেনের সমর্থকরা বাধা দিলে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাতাতি শুরু হয়। এ সময় ইঞ্জিনিয়ার সোবাহানের ভাতিজা যুবদল নেতা টিটন প্রতিবাদ জানালে তাকে মারধর করা হয়। এই নিয়ে পুরো সভার কার্যক্রম কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সমাবেশের প্রধান অথিতি বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিশৃঙ্খলাকারীদের শান্ত হতে আহ্বান জানান।
অন্যদিকে জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সমাবেশ চলাকালে বিকেল ৫টায় মহানগর সভাপতি এমপি সরোয়ার সমর্থক ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সভাস্থলে ঢুকে ‘সরোয়ার ভাই, সরোয়ার ভাই’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এ ঘটনায় জেলার সভাপতি আহসান হাবিব কামাল সমর্থক নেতাকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতি বাধে তাদের। এ সময় এমপি সরোয়ার মঞ্চ থেকে নেমে এসে তাদের হল থেকে বের করে দেন। কিন্তু হলের বাইরে গিয়েও তাদের মারামারি থামেনি। সেখানে চেয়ার ছোড়াছুড়ির পাশপাশি ইটপাটকেলও ছুড়তে থাকেন তারা। সরোয়ার সমর্থক একটি বড় অংশ আবার হলের মধ্যে প্রবেশ করে প্রভাব দেখাতে চাইলে আবার সেখানে হট্টগোল শুরু হয়। এ সময় এমপি সরোয়ার মাইক হাতে নিয়ে জেলা ও মহানগর ছাত্রদলকে হল ছেড়ে যেতে নির্দেশ দেন। পুলিশ এ সময় মারমুখি হয়ে উঠলে উশৃঙ্খল কর্মীরা সেখান থেকে সরে যায়।




মন্তব্য প্রদান করতে লগইন করুন। আমাদের সাইটে আপনার একাউন্ট না থাকলে এখানে নিবন্ধন করুন।