
বরিশাল বিএনপিতে
কামালবিরোধী আন্দোলন
ষ্টাফ রিপোর্টার।।
বরিশালের মহানগর বিএপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র আহসান
হাবিব কামাল বিরোধী আন্দোলনে নেমেছে বিএনপি। এরা এমপি সরোয়ারের অনুসারী বলে পরিচিত। শুক্রবার নগরীতে কামাল বিরোধী মানববন্ধন করেছেন
তারা। +++
বিএনপির
কমিটি : এবার তোপের মুখে সেলিমা রহমান
ষ্টাফ রিপোর্টার।।
বরিশালে বিএনপির কমিটি নিয়ে বিরোধে এবার
নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব এবং বরিশাল উত্তরের আহবায়ক বেগম
সেলিমা রহমান। কেন্দ্রে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল হওয়ার পাশাপাশি চেয়ারপার্সন ও
মহাসচিবের কাছে দরখাস্ত জমা দিয়েছে বরিশাল ও পিরোজপুর জেলার বিএনপি নেতারা। ওয়ান
ইলেভেনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দেয়া সুবিধা ভোগ এবং বর্তমানে আহবায়ক কমিটি গঠনের
ক্ষেত্রে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। +++
তিন্নি হত্যা : অভিকে
আদালতে হাজির হওয়ার জন্য প্রজ্ঞাপন
ষ্টাফ রিপোর্টার
।। মডেল সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলার
অভিযুক্ত পলাতক সাবেক ছাত্রদল নেতা ও সাংসদ ( জাপা) গোলাম ফারুক অভির মালামাল ক্রোক
করতে পারেনি পুলিশ। ২৩ জুন বরিশালের উজিরপুর থানা পুলিশ গোলাম ফারুক অভির স্থায়ী
ঠিকানায় তার মালিকানাধীন কিছু পায়নি বলে ঢাকার মুখ্য বিচার বিভাগীয় হাকিমের আদালতে
প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। বিচার বিভাগীয় হাকিম শাহরিয়ার আরফাত আগামী ২১ জুলাই দৈনিক
পত্রিকায় পলাতক অভিকে এ মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার জন্য প্রজ্ঞাপন জারির জন্য দিন
ধার্য করেছেন।
২০০২ সালের ১০ নভেম্বর
তিন্নিকে খুনের পর লাশ রাজধানীর চীন মৈত্রী সেতুর
নিচে ফেলে রাখা হয়। মামলার নথিপত্রে বলা হয়েছে, গোলাম ফারুক অভি অনৈতিক ও অসামাজিক
সম্পর্ক চাপা দিতে গিয়ে তিন্নিকে খুন করেন। অভির বিরুদ্ধে গত বছরের ৮ নভেম্বর আদালতে
অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। চার বার মাল ক্রোকের প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থতার পর
অবশেষে গত ২৩ জুন ঐ প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়।
২০০৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অভির বিরুদ্ধে 'রের্ড অ্যালার্ট নোটিশ জারি করা হয়।
ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে কানাডা থেকে দেশে ফেরত আনার চেষ্টা চলে।
ইলিশ রপ্তানীর তদবিরে
এসেছেন পশ্চিমবঙ্গের আমদানিকারকরা
ষ্টাফ রিপোর্টার ।।
বাংলাদেশ সরকারের বেঁধে দেয়া এলসি মূল্য কমিয়ে পুনরায় ভারতে
ইলিশ রপ্তানী চালুর তদবির নিয়ে ঢাকায় এসেছে পশ্চিমবঙ্গের আমদানিকারকরা। দেশীয় চাহিদা
পূরণ এবং আন্ডার ইন ভয়েজের মাধ্যমে মুদ্রা পাঁচার ঠেকাতে ২০০৮ সালের ১২ এপ্রিল
ভারতসহ বিশ্বের যে কোন দেশে ইলিশ রপ্তানির ক্ষেত্রে কেজি প্রতি সর্বনিম্ন ৬ ডলার
থেকে ১২ ডলার পর্যন্ত এলসি রেট বেঁধে দেয় তত্ত্বাবধায়ক
সরকার।
পশ্চিমবঙ্গ ফিশ ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশন'র সভাপতি অতুল দাস এবং
সহ-সভাপতি রূপক সিনহ জানান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র এবং
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে কয়েক দফা চিঠি দেয়া হয়েছে। এব্যাপারে
আন্ত:রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যোগাযোগও হয়েছে। কিন্তু
বাংলাদেশের দিক থেকে কোনরকম সাড়া পাওয়া যায়নি।
তারা আরও বলেন,এলসি মূল্য না কমালে পুনরায়
ইলিশ আমদানি সম্ভব নয়। কেননা পশ্চিমবঙ্গে ইলিশের বাজার দর বাংলাদেশ সরকারের
নির্ধারিত এলসি মূল্যের তুলনায় অনেক কম। এলসি মূল্য ৩/৪ ডলারে নামিয়ে আনা না হলে
ভারতে বাংলাদেশের ইলিশ রপ্তানী পাকাপাকিভাবে বন্ধ করতে হবে।
বাংলাদেশ ফিশ এক্সপোটার্স এসোসিয়েশন'র সভাপতি অজিত কুমার
দাস জানান, বর্তমান নির্ধারিত দরে ইলিশ নিচ্ছেনা ভারতের আমদানিকারকরা। এই সুযোগে
পশ্চিমবঙ্গের ইলিশ বাজার দখলে মাঠে নেমেছে বার্মার ব্যবসায়ীরা। ২ ডলার ৩৫ সেন্ট কেজি
দরে ইলিশ দিতে চাইছে তারা। এই অবস্থায় বাংলাদেশ সরকার জরুরি
ভিত্তিতে ব্যবস্থা না নিলে ভারতের ইলিশ বাজার হারাতে
হবে।
বরিশাল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের সহকারী মার্কেটিং অফিসার বেলায়েত হোসেন জানান, এলসি
মূল্য নির্ধারণের পর প্রথম দিকে প্রতিবাদ জানালেও রপ্তানি অব্যাহত রাখে ভারতীয়
আমদানিকারকরা। গত বছরের ৮ জুলাই থেকে বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত
কেবলমাত্র বরিশাল থেকেই ২১ লাখ ১৩ হাজার ৬৩৬ কেজি ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে পাঠিয়েছে
রপ্তানিকারকরা। এই হিসেবে দেশের অন্যান্য রপ্তানী অঞ্চল বাদে বরিশাল সেক্টর থেকেই
ইলিশ খাতে দৈনিক আয় ছিল প্রায় ৪৫ লাখ টাকা। তিনি আরও বলেন,
অফসিজনের কারনে এব্যাপারে এতদিন
কেউ কথা বলেনি। চলতি মাসে ইলিশের ভরা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে
সাথে আবার মাঠে নামে দুই দেশের রপ্তানী ও আমদানিকারকরা।
ঘুষ :র্যাব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
ষ্টাফ রিপোর্টার ।।
বরিশাল নগরীর একটি ঔষধ কোম্পানীর কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘূষ গ্রহনের অভিযোগে
র্যাব-৮'র সাবেক সহকারী পরিচালক জয়নুল আবেদীন বিরুদ্ধে দুনীতি দমন কমিশন মামলা
দায়ের করেছে। দুদক বরিশাল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এম এইচ
রহমতউল্লাহ ১ জুলাই মামলাটি দায়ের করেন।
জয়নুল আবেদীন বর্তমানে খুলনা পুলিশ রেঞ্জের আরআরএফ (রিজার্ভ রেঞ্জ ফোর্স)'র সহকারী
পুলিশ সুপারের দায়িত্বে রয়েছেন।
মামলার বিবরনে প্রকাশ, ২০০৮ সালের ৩ ফেব্রুয়ারী জয়নুল আবেদীন ফোনে ইন্দো বাংলা
ফার্মাসিটিক্যাল ঔষধ কোম্পানীর চেয়ারম্যান এ এফ এম আনোয়ারুল সাব্বিরকে হুমকী দেয়।এ
সময় জয়নুল তাকে ফোনে বলেন, তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র, নিন্মমানের ঔষদ তৈরী এবং
ভ্যাট ফাকির অভিযোগ রয়েছে।
এ সকল অভিযোগ থেকে রক্ষ পেতে তার কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত চাঁদার
মধ্যে আনোয়ারুল ৩০ হাজার টাকা ২২ ফেব্রুয়ারী ২০০৮ পরিশোধ করেন।বিষয়টি ইন্দো বাংলা
ফার্মাসিটিক্যাল ঔষধ কোম্পানীর চেয়ারম্যান এ এফ এম আনোয়ারুল সাব্বিরক লিখিতভাবে
দুদককে অবহিত করে।
তারা প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের প্রমান পাওয়ায় বুধবার থানায় মামলা দায়ের করেন।
চরকাউয়া খেয়া-ঘাট ইজারামুক্ত
ষ্টাফ রিপোর্টার ।।
কীর্তনখোলা নদীর চরকাউয়া খেয়া-ঘাটকে ইজারামুক্ত
ঘোষণা করা হয়েছে। নদীর পূর্বপাড়ের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সিটি
মেয়র শওকত হোসেন হিরন বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে এই ঘাটটি
ইজারামুক্ত করেন। এর ফলে ১ জুলাই থেকে বিনা টাকায় খেয়া পার হচ্ছে সবাই।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, ব্রিটিশ আমলে এখানে খেয়া পারাপারের জন্য ইজারা
প্রথা চালু হয়। নদীর পূর্বপাড়ের বেশীর ভাগ মানুষ নিম্নআয়ের শ্রমজীবি হওয়ায় প্রতিদিন
তাদের পক্ষে খেয়া পাড়াপাড়ের টাকা দেয়া কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে। এ কারনে পূর্বপাড়ের
মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কীর্তনখোলার খেয়া পাড়াপাড় ইজারামুক্ত করা হোক। তাদের
দাবির সাথে একাত্ম হয়ে সমপ্রতি বিআইডব্লিউটিএ'র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে
ওই ঘাটটি আর ইজারা না দেয়ার জন্য আহবান জানান সিটি মেয়র হিরন। এর প্রেক্ষিতে
বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ চলতি ২০০৯-১০ অর্থ বছরে চরকাউয়া খেয়াঘাটের কোন ইজারা আহবান
করেনি।